মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় নির্দোষদের মুক্তির দাবিতে ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে দোয়া মাহফিল ৫ আগস্ট স্মরণসভা: ছাত্র আন্দোলনের সাহস, ত্যাগ ও ভবিষ্যতের অঙ্গীকার ফাইজা বাটন অ্যান্ড জিপার কোম্পানি মামলায় জামিনপ্রাপ্তদের ফুলেল সংবর্ধনা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি! টঙ্গী স্টেডিয়ামের সামনে ময়লার ভাগার অপসারণের দাবিতে জামায়াতের মানববন্ধন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ট্রেজারারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা। দক্ষিণখান আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ৬২ বছর পর রুনা লায়লার একক ‘সঙ্গীত সন্ধ্যা’, বন্যার্তদের জন্য আয়ের অর্থ দানের ঘোষণা পূবাইলে ব্যাটারি চুরির জেরে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় প্রস্তাবিত বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন গাজীপুর পূবাইল থানা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আনন্দ নৌভ্রমণ
Notice :
"The Daily Dhakar Kagoj" (দৈনিক ঢাকার কাগজ) ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সংবাদপত্র যা প্রতিদিন প্রকাশিত হয়।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী-এর অসুস্থতায় স্তব্ধ হয়ে পড়েছে,বিএনপির নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়।

প্রতিনিধির নাম: / ৫৬৬ ভিউ:
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী-এর অসুস্থতায় স্তব্ধ হয়ে পড়েছে,বিএনপির নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজপথের লড়াই-সংগ্রামের সেই চেনা উত্তাপ নেই রাজধানীর নয়াপল্টনে। একসময় যে কার্যালয়টি ছিল বিএনপির আন্দোলন ও কৌশলের প্রাণকেন্দ্র, সরকার গঠনের পর সেখানে এখন বিরাজ করছে অন্যরকম এক নিস্তব্ধতা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নেতাকর্মীদের যে ভিড় আর স্লোগানে মুখর থাকত পুরো এলাকা, আজ সেখানে শুধুই শূন্যতা।
​সরেজমিনে দেখা যায়, কার্যালয়ের সামনে আগের মতো নেতাকর্মীদের জটলা নেই। নেই গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়মিত ভিড় কিংবা সিনিয়র নেতাদের ঘনঘন সংবাদ সম্মেলন। দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এখন অনেকটাই সুনসান। বিশেষ করে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অসুস্থ হওয়ার পর থেকে এই নিস্তব্ধতা আরও ঘনীভূত হয়েছে। দপ্তরের কাজ সামলানো এই নেতার অনুপস্থিতিতে যেন অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে কার্যালয়টি।
​দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর সাংগঠনিক কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় যারা রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, তাদের একটি বড় অংশ এখন নিজ নিজ এলাকায় সংগঠন গোছাতে বা রাষ্ট্রীয় নানা দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। ফলে কেন্দ্রমুখী নেতাকর্মীদের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমেছে।
​তবে এই নিস্তব্ধতাকে ভিন্ন চোখে দেখছেন তৃণমূলের কেউ কেউ। কার্যালয়ে আসা এক কর্মী আক্ষেপ করে বলেন, আগে বিপদের দিনে এই অফিসই ছিল আমাদের ঠিকানা। এখন ক্ষমতায় যাওয়ার পর সবাই যেন গা বাঁচিয়ে চলছেন। প্রবীণ বা ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন নিয়ে ভেতরে ভেতরে এক ধরনের চাপা অসন্তোষও তৈরি হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের এক প্রভাবশালী নেতা জানান, দীর্ঘদিনের আন্দোলন শেষে দল এখন সরকার পরিচালনায় মনোযোগী। স্বাভাবিকভাবেই কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ওপর চাপ কিছুটা কমেছে। তবে দলের প্রাণ ভোমরা কর্মীদের সঙ্গে এই দূরত্ব দীর্ঘস্থায়ী হলে তা সংগঠনের জন্য শুভ হবে না বলেও মনে করেন তিনি।
​রাজপথের সেই লড়াকু বিএনপির প্রধান কার্যালয়টি এখন অনেকটা আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার ভবনে পরিণত হয়েছে। নেতাকর্মীদের পদচারণায় আবার কবে এই এলাকা মুখর হবে, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর