শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
টঙ্গী সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. আবুল কালামের বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত অডিটোরিয়াম ভাঙার অভিযোগ ​ তারুণ্যের উচ্ছ্বাসে টঙ্গী সরকারি কলেজে বর্ণিল নবীন বরণ উৎসব রাজপথের কর্মী বেনজীর রহমান রাজনীতির ইতিহাস টঙ্গীতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের চার নেতাকর্মী গ্রেপ্তার ঘন ঘন বিবাহ ও প্রতারণা: মোশারফ হোসেন ওরফে শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বিসিক শিল্পনগরীর গ্লিমার ফ্যাশনের বর্জ্যে বিপর্যস্ত পরিবেশ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে এলাকাবাসী গাজীপুরের পূবাইলে গৃহবধূকে হত্যার পর ঘাতক স্বামী পলাতক স্থানীয় সরকার নির্বাচনী দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন। গাজীপুরের টঙ্গী স্টেশন রোডে উচ্ছেদ অভিযান: পালকি রেস্টুরেন্ট ও আল আমিন বেকারিকে জরিমান
Notice :
"The Daily Dhakar Kagoj" (দৈনিক ঢাকার কাগজ) ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সংবাদপত্র যা প্রতিদিন প্রকাশিত হয়।

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট: আগের থেকে কতটা ভিন্ন

প্রতিনিধির নাম: / ১০৪৬ ভিউ:
আপডেট সময়: শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০২৫, ৩:২১ পূর্বাহ্ণ

ডা. রিফাত আল মাজিদ

করোনাভাইরাসের আগের ভ্যারিয়েন্ট যেমন ডেলটা ও ওমিক্রন আমাদের অনেক ভয় দেখিয়েছে। সেগুলোর উপসর্গ ছিল তীব্র-উচ্চ জ্বর, শ্বাসকষ্ট, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া পর্যন্ত অবস্থা। কিন্তু বর্তমানে পাওয়া নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলো (যেমন JN.1 বা FLiRT) আগের চেয়ে কিছুটা আলাদা আচরণ করছে।

প্রথম পার্থক্য হচ্ছে সংক্রমণের গতি। নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলো অনেক দ্রুত ছড়ায়। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি সহজেই অনেকজনকে সংক্রমিত করতে পারেন, এমনকি উপসর্গ হালকা থাকলেও। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো লক্ষণ। নতুন ভ্যারিয়েন্টে সাধারণত হালকা উপসর্গ দেখা যায়-সর্দি, কাশি, হালকা জ্বর বা গলা ব্যথা। অনেক সময় মনে হয় এটি বুঝি সাধারণ ঠান্ডা, ফলে মানুষ অবহেলা করে বাইরে চলাফেরা করে, যা ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ায়।

তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা। আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোতে ভ্যাকসিন খুব ভালোভাবে সুরক্ষা দিত, তবে নতুন ভ্যারিয়েন্টে ভাইরাসের গঠন কিছুটা বদলে যাওয়ায় পুরোনো টিকার কার্যকারিতা কিছুটা কমে যেতে পারে। যদিও ভ্যাকসিন এখনো মারাত্মক জটিলতা রোধে সহায়ক, তবু বুস্টার ডোজ নেওয়া বা টিকা হালনাগাদ করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

চতুর্থ পার্থক্যটি সচেতনতার ধরণে। আগের ভ্যারিয়েন্টের সময় মানুষ উপসর্গ বুঝলেই সতর্ক হতো, পরীক্ষা করাতো বা আলাদা থাকতো। কিন্তু এখন হালকা উপসর্গ দেখে অনেকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না, ফলে ভাইরাস চুপিসারে ছড়িয়ে পড়ে। তাই নতুন ভ্যারিয়েন্ট মোকাবেলায় সচেতনতা আরও সূক্ষ্ম ও দায়িত্বশীল হতে হবে।

আগের ভয়াবহতা কমলেও নতুন ভ্যারিয়েন্টের দ্রুত সংক্রমণ ও হালকা উপসর্গের কারণে ঝুঁকি এখনো আছে। এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মানা, উপসর্গ দেখা দিলে পরীক্ষা করা এবং টিকা নেওয়ার মতো অভ্যাসগুলো আমাদের সুরক্ষার প্রধান হাতিয়ার।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর